শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা

Institute Type

ফটোগ্যালারি

নং নাম অফিসের ছবি অর্জন ভবিষৎ পরিকল্পনা মেধাবী ছাত্রবৃন্দ শিক্ষাবৃত্তি তথ্যসমুহ ইতিহাস ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক) বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল যোগাযোগ সংক্ষিপ্ত বর্ণনা প্রতিষ্ঠাকাল পাশের হার মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ধরণ ফটোগ্যালারি প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা কার্যকলাপ
  
                 
তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজ      
দেখুন
রাজকী এলবিনটিলা মুক্তিযোদ্ধা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়

পাবলিক পরীক্ষায় ভাল ফলাফল

আগামীতে সকল পাবলিক পরীক্ষায় ভাল ফলাফল।

রাজ কিশোর গড়,অষ্টমী চৌহান,সারিকা চৌহান।

তখ্য প্রক্রিয়াধীন

জুড়ী উপজেলার সম্মনিত চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ এম এ মুমিত সাহেবে ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় এবং ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়রম্যান জনাব ফয়াজের আলীর সার্বিক সহযোগীতায় এবং রহিমপুর নিবাসী বিশিষ্ট দানশীল ব্যক্তি জনাব আকবর আলীর ব্যক্তিগত নিজস্ব .৭৫শতাংশ ভুমি দান করায় এবং এলাকার গুনীজন বিশেষ করে রাজকী চা বাগান কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগীতায় সুবিধাবন্তি দরিদ্র চা শ্রমিকদের প্রয়োজনের তাগিতে ২০১০খ্রী বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

৬ষ্ঠ শ্রেণি-মোট-১০২জন

৭ম শ্রেণি -মোট-৬৯জন

৮ম শ্রেনি-মোট-৪৮জন

 মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-২১৯জন

জনাব মো:ফয়াজ আলী(সভাপতি),জনাব,আকবর আলী (সদস্য),মো:মখদ্দছ আলী(সদস্য),জগরবতী তেলী,(সদস্য),আ:গফর(সদস্য)।

তথ্য প্রক্রিয়াধীন

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়,জুড়ী,মৌলভীবাজার।

প্রতিষ্ঠানটি মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলাধীন ০৭নং ফুলতলা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ফুলতলা চা বাগানের শেষ প্রান্তে এবং রাজকী চা বাগানের প্রারম্বে রাঘনা বিট সংলগ্ন সদর সড়কের পাশে অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে .৭৫ শতাংশ অখন্ড

নিজস্ব জমির উপর অবস্থিত।বিদ্যালয়টিতে ১০০ফুট দৈর্ঘ্য এবং ২৬ফুট প্রস্থ একটি আধা পাকা ভবন রয়েছে।এর মধ্যে ৫টি শ্রেনি কক্ষ,১টি অফিস কক্ষ আছে।১টি টিউওেয়ের, টয়লেট ,খেলার মাঠ আছে।

২০১০খ্রী: ৯৫ভাগ   নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
কচুরগুল উচ্চ বিদ্যালয়

 প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসঃ-

এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার পূর্বে এখানকার শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে- শিলুয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও ১৫ কিলোমিটার উত্তরে- জুড়ী উচ্চ  বিদ্যালয়ে লেখা পড়ার জন্য পায়ে হেঁটে যাতায়াত করত । ১৯৭১ সালের তৎকালীন মুক্তিযোদ্ধারা কচুরগুল উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য একটি কাচা ঘর নির্মান করেন । কিছু দিন বিদ্যালয় পরিচালনার পর ভূমি সংক্রান্ত  ও বিদ্যালয়ের নামকরণ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয় । যার কারনে বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যায় । পূনরায় বিদ্যালয়টি চালুর লক্ষে স্থানীয় চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এলাকার জনসাধারণের সহযোগিতায় বিদ্যালয়টি পুনরায় চালুর জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয় । কাতার প্রবাসী বাংলাদেশীদের আর্থিক সহযোগিতায় স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দাতাগনের আর্থিক সহযোগিতায় এলাকার জনসাধারনের সার্বিক প্রচেষ্ঠায় ০১/০১/১৯৯৭ইং তারিখে প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেট কর্তৃক, নিম্ন মাধ্যমিক হিসাবে প্রাথমিক অনুমতিঃ ০১/০১/২০০২ খ্রিঃ, স্বীকৃতি ০১/০১/২০০৫ খ্রিঃ, নবম শ্রেণি খোলার প্রাথমিক অনুমতিঃ ০১/০১/২০০৬ খিঃ, দশম শ্রেণি খোলার প্রাথমিক অনুমতিঃ ০১/০১/২০০৭খ্রিঃ ও একাডেমীক স্বীকৃতি ০১/০১/২০০৯খ্রিঃ লাভ করে এবং বিদ্যালয়টি ৩১/০৫/২০১০খ্রিঃ এমপিও ভূক্তি হয়। বিদ্যালয়ের জমির পরিমাণ ১.৪০ একর। এর মধ্যে ৬৮.৫০ শতাংশ জমির ভূমিদাতা প্রতিষ্ঠাতা মন্ডলীর সদস্য জনাব মোঃ বশারত আলী দান করেন। বাকি ৭১.৫০ শতাংশ ভূমি বিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে  কচুরগুল জামে মসজিদ কমিটি হইতে ক্রয় করা হয় ।  ২০০৮ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে অদ্যবধি ধারাবাহিক ভাবে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করে। ২০১১ সনের জেএসসি পরীক্ষায় শতভাগ ফলাফল অর্জন করে। বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক পর্যায়ে অদ্যবধি এমপিও ভূক্ত হয়নি । বর্তমানে সরকারী অর্থায়নে নতুন ভবন নির্মানাধীন আছে।

                                                  ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা শ্রেণি ভিত্তিকঃ

শ্রেণি

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ষষ্ট

৫৭

৭৯

১৩৬

সপ্তম

৩৬

৪৭

৮৩

অষ্টম

২৫

৪৩

৬৮

নবম

২৮

৪৫

৭৩

দশম

১৫

১৫

৩০

মোট

১৬১

২২৯

             সর্বমোট ৩৯০

                                         বিগত ৫ (পাঁচ) বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলঃ

সাল

জেএসসি

এসএসসি

মন্তব্য

পরীক্ষার্থী

উত্তীর্ণ

পাশের হার

পরীক্ষার্থী

উত্তীর্ণ

পাশের হার

 

 

 

 

 

 

 

 

২০০৯

-

-

-

১৮

১৪

৭৭.৭৭%

 

২০১০

৩৬

৩২

 ৮৮.৮৮%

৩২

২৪

৭৫%

 

২০১১

৩৮

৩৮

১০০%

৩৮

৩৫

৯২.১০%

 

২০১২

৭৫

৭৫

১০০%

৩৬

৩০

৮৩.৩৩%

 

২০১৩

 

 

 

৩৮

৩৫

৯২.১০ %

 

জুড়ী উপজেলা সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কচুরগুল গ্রাম।

প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ-

প্রতিষ্ঠানটি মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ০৮নং গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের পূর্ব-দক্ষিণ অঞ্চলের সীমান্তবর্তী ৪নং ওয়ার্ডের কচুরগুল গ্রামে ১৪০ শতাংশ অখন্ড এবং নিজস্ব জমির উপর চা বাগান বেষ্ঠিত পাহাড়ি অঞ্চলে একটি মনোরম ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে অবস্থিত। বিদ্যালয়টির মূলগৃহ লস্বাকৃতি আধাপাকা বিল্ডিং। এর মধ্যে শ্রেণিকক্ষ ০৫টি, অফিস কক্ষ ০১টি, ছাত্রী মিলনায়তন ০১টি, পাঠাগার ০১টি এবং মেয়েদের নামাজের জন্য ০১টি আধাপাকা বিল্ডিং ও  ০১টি খেলার মাঠ আছে। প্রতিষ্ঠানটির বোর্ড কোড ২৪৩০, এমপিও কোড ১৩০১১৩১২০১, EIINনম্বর ১২৯৬৫২।

০১/০১/১৯৯৭ খ্রিঃ ৯২.১০%   মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
নওয়া বাজার আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা

১৯৫৮ইং সনে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি অসংখ্য মুহাদ্দিছ, মুফাসসির, শিক্ষক, ও গুণীজনকে উপহার দিয়েছে। জেলা ও বিভাগের শ্রেষ্ঠতম মাদ্রাসা হিসেবে ১৯৯৬ইং সনে স্বর্ণ পদক অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

মাদ্রাসায় কোন ছাত্রাবাস না থাকায় বিভিন্ন সময়ে লজিং সমস্যার দরুন ছাত্র ভর্তিতে ব্যাঘাত ঘটে, তাই ছাত্রাবাস নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ২। বর্তমান কম্পিউটার যুগে জ্ঞান বিজ্ঞানে বিশ্ব উন্নতির দিকে উন্নীত এই মুহুর্তে এ মাদ্রাসায় বিজ্ঞান ও কম্পিউটার বিভাগ খোলা সময়ের দাবী, যাহা পরিকল্পনাধীন। ৩। ছাত্রদের পাশাপাশি ছাত্রীরাও যখন কামিল সত্মরে উন্নীত হচ্ছে তখন অত্র এলাকায় কোন কামিল মাদ্রাসা না থাকায় ছাত্র বিশেষ করে ছাত্রীরা দুর দুরামেত্ম গিয়ে ভর্তি হওয়া কষ্টকর তাই মাদ্রাসায় কামিল খোলাও সময়ের দাবী।        ৪। বর্তমান ভবনগুলোতে ছাত্র/ছাত্রীদের সংকুলান না হওয়ায় পশ্চিম দিকের একতলা বিশিষ্ট ভবনটি দু’তলায় উন্নীত করণ। আল্লাহ পাক এ পরিকল্পনাগুলো পূর্ণ করার তৌফিক দান করুন এ কামনা করি।

৫ম শ্রেণী

৬ষ্ট শ্রেণী

১। সুমি বেগম

১। মাসুদা সিদ্দিকা (ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ২০১২ইং)

২। সুলতান আহমদ

২। মরিয়ম জামিলা

 

৩। শিউলী বেগম

৭ম শ্রেণী

৮ম শ্রেণী

১। নাজমিন আক্তার

১। মাছুমা আক্তার

২। তামান্না খানম

২। মরিয়ম আক্তার

৩। রুবানা আক্তার

৩। মাজেদা খানম

৯ম শ্রেণী

১০ম শ্রেণী

১। আয়শা সিদ্দিকা  (জেডিসি সাধারণ বৃত্তি ২০১২)

১। সুমাইয়া খানম (জেডিসি ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ২০১১ইং)

২। ফাহমিদা আক্তার

২। জান্নতুল ফেরদৌস (জেডিসি ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ২০১১ইং)

৩। এমদাদুল হক

৩। ছামিয়া জান্নাত

আলিম ১ম

আলিম ২য়

১। খাদিজা খানম

১। সানজিদা আক্তার

২। শরিফ উদ্দিন

২। দেলোয়ার হোসাইন

 

 

আলিম ফলপ্রার্থী ২০১৩ইং

ফাজিল ১ম

১। জাহিদুল ইসলাম (দাখিল জিপিএ ৫.০০-২০১১)

১। কামরুল ইসলাম

২। আহসানুল হক সুমন (দাখিল জিপিএ ৫.০০-২০১১)

২। আব্দুল্লাহ ইমন

৩। ফরিদা ইয়াছমিন (দাখিল জিপিএ ৫.০০-২০১১)

 

ফাজিল ২য়

ফাজিল ৩য়

১। রুকশানা বেগম

১। সাইফুর রহমান

২। মাছুমা বেগম

২। আব্দুল কাইয়ুম

৩। আয়শা বেগম

 

শিক্ষাবৃত্তির তথ্য সমূহঃ

 

(ক) অর্জনঃ

১৯৫৮ইং সনে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি অসংখ্য মুহাদ্দিছ, মুফাসসির, শিক্ষক, ও গুণীজনকে উপহার দিয়েছে। জেলা ও বিভাগের শ্রেষ্ঠতম মাদ্রাসা হিসেবে ১৯৯৬ইং সনে স্বর্ণ পদক অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

মানুষ এ জগতে আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে খলিফা হিসেবে প্রেরিত। আর তাই খেলাফতের দায়িত্বের জবাব অবশ্যই তাকে দিতে হবে। এ দায়িত্ব আনজাম দিতে হলে তার জ্ঞানের প্রয়োজন। এ জন্য নবী করিম (সঃ) এর অহীর শুরুতেই বলা হয়েছে (ইক্বরা) ‘‘পড় তুমি’’ আর নবী করিম (সঃ) বলেছেন, জ্ঞান অর্জন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য আবশ্যক। মানুষ দুটি ধারায় জ্ঞান অর্জন করে, একটি হলো প্রাতিষ্ঠানিক অপরটি হলো অপ্রাতিষ্ঠানিক।

এখন থেকে প্রায় চৌদ্দশত বৎসর পূর্বে নবী করিম (সঃ) মানব জাতিকে শিক্ষাদানের জন্যই প্রেরিত হয়ে ছিলেন। এ শিক্ষাদানের বা অর্জনের ধারা মোতাবেক মাদ্রাসা শিক্ষা প্রাতিষ্ঠানিকতা লাভ করে। এ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থার ক্রম ধারায় বিংশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে ১৯৫৮ইং সনে নওয়া বাজার এলাকার দ্বহপাড়া নিবাসী স্বনামধন্য আলিমে দ্বীন মরহুম হযরত মাওঃ আইয়ুব আলী সাহেবের অনুপ্রেরণায় অত্র এলাকার আলিমে দ্বীন মরহুম হযরত মাওঃ আং গণি, মরহুম মাওঃ মুবশ্বির আলী ও মরহুম মাওঃ সিরাজ উদ্দিন সাহেবগণের সহযোগিতায় এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমান বিশেষ করে তৎকালীন মুরবিব মরহুম হাজী ইনজাদ আলী, মরহুম হাজী মনোহর আলী, মরহুম হাজী বশির উদ্দিন (চেয়ারম্যান), মরহুম হাজী আপ্তাব উদ্দিন আহমদ, মরহুম ইদ্রিছ আলী ও মরহুম মাওঃ আং রহমান (কটই মেয়াছাব) গং এর পরামর্শ নিয়ে এ সমাজ থেকে অশিক্ষার কুসংস্কার থেকে শিক্ষার আলোর দিকে এলাকাকে এগিয়ে নিয়ে আসার জন্য বড়লেখা থানার পূর্ব জুড়ী ইউনিয়নের অমত্মর্গত নওয়া বাজারে ক্ষুদ্র পরিসরে একটি মাদ্রাসার ভিত্তি স্থাপন করেন। মরহুম মাওঃ আইয়ুব আলী সাহেব নিজেই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম হিসেবে নিযুক্তি পান। মরহুম মাওঃ সিরাজ উদ্দিন সাহেব সহ অন্যান্যরা ‘সহকারী শিক্ষক’ হিসেবে শিক্ষাদান আরম্ভ করেন। এলাকাবাসী মুরবিবয়ানদের সহযোগিতায় শিক্ষকগণের অক্লামত্ম প্রচেষ্টায় লেখা পড়ার মান বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাই শিক্ষক বৃদ্ধির প্রয়োজনে বিয়ানীবাজার উপজেলার আটাঙ্গন নিবাসী মরহুম মাওলানা আং মুছাবিবর সাহেবকে ক্বারী পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৬৫ইং সনে টালিয়াউরা নিবাসী মরহুম মাওঃ তজম্মুল আলী সাহেবকে সহকারী মৌলভী পদে নিয়োগ দান করা হয়। উক্ত শিক্ষকগণ অতি উৎসাহের সাথে শিক্ষাদান করতে থাকেন।

এ দ্বীনি প্রতিষ্ঠানই বর্তমানে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলাধীন ৮নং গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের অমত্মর্গত ঐতিহ্যবাহী ‘‘নওয়া বাজার আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা’’ নামে বাংলাদেশে তথা বহির্বিশ্বে পরিচিত। এ দ্বীনি প্রতিষ্ঠানটি তখন ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও মুহতামিম সাহেবের অক্লামত্ম পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠানের সুনাম চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং উন্নতি লাভ করতে থাকে।

পরবর্তীতে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুমতি লাভের কৌশলগত দিক বিবেচনায় এলাকার মান্যবর ব্যক্তিদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় মাদ্রাসার পূরাতন স্থান থেকে সামান্য পশ্চিম-দক্ষিণ পার্শ্বে জমি বরাদ্ধ পাওয়ায় সাবেক কুলাউড়া থানাধীন স্থানে (বর্তমান স্থান) আধা-পাকা ঘর নির্মাণ করতঃ মাদ্রাসা তার পুরাতন স্থান থেকে নতুন স্থানে স্থানামত্মরিত হয়।

অতঃপর এলাকার স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব মরহুম আলহাজ্ব ইনজাদ আলী সাহেবের সহ-সভাপতিত্বে এবং তৎকালীন স্বনামধন্য চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব বশির উদ্দিন সাহেবের সম্পাদনায় পরিচালিত কমিটির দ্বারা মাদ্রাসার সুনাম ও খ্যাতি চতুর্দিকে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ছাত্র বৃদ্ধি ও শ্রেণী বৃদ্ধির কারণে শিক্ষক বৃদ্ধির প্রয়োজন পড়ে, তাই সহ-সভাপতি ও সম্পাদক সাহেবদ্বয়ের উৎসাহে অনুপ্রাণিত হয়ে টালিয়াউরা নিবাসী জনাব মাওঃ আং রহমান সাহেব গাংকুল মনসুরিয়া পাথারিয়া মাদ্রাসার শিক্ষকতা ছেড়ে ১লা মার্চ ১৯৬৯ইং সনে অত্র মাদ্রাসায় সহ সুপার পদে যোগদান করেন।

ছাত্র বৃদ্ধি, শ্রেণী বৃদ্ধির ফলে প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৯ইং সনে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল সত্মরে স্বীকৃতি লাভ করে। মাদ্রাসার বর্তমান এবতেদায়ী প্রধান মাওঃ আকবর আলী ও তাঁর সহপাঠীদের দিয়ে প্রথমতঃ দাখিল চুড়ামত্ম পরীক্ষা আরম্ভ হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৩ইং সন থেকে আলিম শ্রেণী আরম্ভ হয়। তখন আরও নতুন শিক্ষক প্রয়োজন হওয়ায় বড়লেখার কাঞ্চনপুর নিবাসী মরহুম মাওঃ মাহমুদ আলী সাহেবকে ১৯৭৩ইং সনে সিনিয়র মৌলানা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৪ইং সনে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে আলিম পরীক্ষার অনুমতিপ্রাপ্ত হয়ে বর্তমান মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী  মাওঃ মঈন উদ্দিন ও মাওঃ ইউসুফ আলী এবং তাঁদের সহপাঠীদের দিয়ে প্রথম আলিম চূড়ামত্ম পরীক্ষা আরম্ভ করে শতভাগ কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন এবং তাঁদের দিয়েই ফাজিল শ্রেণী আরম্ভ করা হয়। ফলাফলের কৃতিত্বে ১৯৭৬ইং সনে প্রতিষ্ঠানটি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম সত্মরে স্বীকৃতি লাভ করে, পাশাপাশি ১৯৭৬ইং সনে ফাজিল পরীক্ষার অনুমতিপ্রাপ্ত হয়ে আবারও মাওঃ মঈন উদ্দিন, মাওঃ ইউসুফ আলী ও তাঁদের সহপাঠীদের দিয়ে ফাজিল চুড়ামত্ম পরীক্ষা আরম্ভ হয় এবং ফলাফলের ভিত্তিতে ১৯৭৭ইং সনে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ফাজিল সত্মরে স্বীকৃতি লাভ করতঃ অদ্যাবধি কৃতিত্বের সাথে উন্নত ফলাফল লাভ করে সুনাম ও খ্যাতি অর্জন করে আসছে।

১৯৭৪ইং সনে গোয়ালবাড়ী নিবাসী স্বনামধন্য চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব বশির উদ্দিন সাহেবের ইমেত্মকালের পর তাঁর ছোট ভাই মরহুম আলহাজ্ব আপ্তাব উদ্দিন আহমদ সাহেব সর্ব সম্মতিক্রমে সম্পাদক পদে নিয়োজিত হন। তিনি অত্যমত্ম বিচক্ষনতা ও বুদ্ধি মত্তার সাথে এলাকাবাসীকে নিয়ে মাদ্রাসার উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যান।

দীর্ঘ প্রায় ২১ বৎসর মাদ্রাসার দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিয়তির লেখা মোতাবেক ১২/০২/১৯৭৯ইং তারিখে প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম মরহুম মাওলানা আইয়ুব আলী সাহেব ইমেত্মকাল করেন।  তাঁর ইমেত্মকালের পর এলাকাবাসী সর্ব সম্মতি ক্রমে ০১/০৭/১৯৭৯ইং সনে হযরত মাওঃ আব্দুর রহমান সাহেবকে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগদান করা হয়।

এদিকে ১৯৮৫ইং সনে পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি মরহুম আলহাজ্ব ইনজাদ আলী সাহেবের ইমেত্মকালের পর তাঁর সুযোগ্য উত্তরসুরী আলহাজ্ব রিয়াজ উদ্দিন সাহেব সর্ব সম্মতিক্রমে এ পদে অধিষ্টিত হন। তখন গভর্ণিং বডির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরবর্তীতে আইনতঃ সভাপতির পদ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর উপর ন্যসত্ম হয়। সম্পাদকের পদও আইনতঃ অধ্যক্ষ সাহেবের উপর ন্যসত্ম হওয়ায় আলহাজ্ব আপ্তাব উদ্দিন আহমদ সাহেবকে সহ-সভাপতির পদে নিয়োজিত করা হলে তিনি মাদরাসার উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যান। তিনি দীর্ঘ প্রায় ৪০ বৎসর মাদরাসার গর্ভনিং বডির সম্পাদক ও পরবর্তীতে সহ-সভাপতির পদে নিয়োজিত থাকাবস্থায় বিগত ১৮/০১/২০১৩ইং তারিখে ইমেত্মকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ---------------রাজিউন। বর্তমানে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন হাজী ইনজাদ আলী সাহেবে সুযোগ্য উত্তরসুরী আলহাজ্ব মঈন উদ্দিন সাহেব। এদিকে টালিয়াউরা নিবাসী মরহুম মাওঃ তজম্মুল আলী সাহেব অতি যোগ্যতার সাথে শিক্ষকতা করে চাকুরীর মেয়াদেই অসুস্থ হয়ে ১৯৮৪ইং সনে ইহকাল ত্যাগ করেন। মরহুম ক্বারী মুছাবিবর আলী সাহেব চাকুরীর মেয়াদামেত্ম অবসর গ্রহণ করার কিছুদিন পর ইহ জগৎ ত্যাগ করেন। অপরদিকে সিনিয়র মাওলানা মরহুম মাহমুদ আলী সাহেব পরবর্তীতে উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োজিত হয়ে অতি যোগ্যতার সাথে দায়িত্ব পালন করে চাকুরীরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে ২০০৩ইং সনের ১৪ই নভেম্বর অসংখ্য ছাত্র/ছাত্রীর হৃদয়ে স্থান রেখে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যান। অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহমান সাহেব প্রায় ১০বৎসর সহ-সুপার ও ৩২ বৎসর সুপার বা অধ্যক্ষ হিসেবে অত্যমত্ম বিচক্ষণতা ও যোগ্যতার সাথে মাদ্রাসা পরিচালনা করেন। তাঁরই প্রচেষ্টায় মাদ্রাসা দাখিল, আলিম, ফাজিল সত্মরে বোর্ডের স্বীকৃতি লাভ করে ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসায় রূপামত্মরিত হয়ে ১৯৯৬ইং সনে বিভাগের শ্রেষ্ট মাদ্রাসা নির্বাচিত হয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত হয়।

৩১/১২/২০০৮ইং তারিখে অধ্যক্ষ সাহেবের চাকুরীর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও গভর্ণিং বডির সিদ্ধামেত্ম তাঁকে আরও ০১ (এক) বৎসর এর জন্য চুক্তি ভিত্তিক হিসেবে তাঁর পদে বহাল রাখা হয়। ১লা মার্চ ১৯৬৯ইং তারিখ থেকে ৩১/১২/২০০৯ইং তারিখ পর্যমত্ম প্রায় ৪২ বৎসর নিরলসভাবে অক্লামত্ম পরিশ্রমের সাথে তিনি মাদ্রাসা পরিচালনা করে অবসর গ্রহণ করেন (আল্লাহ পাক তাঁকে দীর্ঘজীবী করুন)।

অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মহোদয় একাধিকবার হজ্বব্রত পালন করেন এবং লন্ডন ভ্রমনে যান। এ সময়ে একাধিকবার সহকারী অধ্যাপক মাওঃ আব্দুছ ছালাম সাহেবকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যক্ষ মাওঃ আব্দুর রহমান সাহেবের মাদ্রাসা পরিচালনার এ সময় নওয়া বাজার মাদ্রাসার স্বর্ণযুগ হিসেবে চিহ্নিত থাকবে।

তৎপরবর্তিতে আরবী প্রভাষক মাওঃ মোঃ লিয়াকত আলী খান সাহেব ০২/০৫/২০১০ইং তারিখে উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োজিত হন এবং ১২/১২/২০১০ইং তারিখ হইতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে অত্যমত্ম দক্ষতার সাথে সুষ্টু ও সুন্দর ভাবেই মাদ্রাসা পরিচালনা করে যাচ্ছেন।

বর্তমানে মাদ্রাসায় এমপিও ভুক্ত শিক্ষক = ১৯ জন

        সহ  গ্রন্থাগারিক = ০১ জন

 তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী = ০২ জন

  চতুর্থ শ্রেনির কর্মচারী = ০২ জন

           মোট = ২৪ জন শিক্ষক/কর্মচারী কর্মরত আছেন।

 ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা শ্রেণী ভিত্তিকঃ ২০১৩সাল

শ্রেণীর নাম

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ফাজিল (৩য় বর্ষ)

১৪

০৯

২৩

ফাজিল (২য় বর্ষ)

১৪

১৪

২৮

ফাজিল (১ম বর্ষ) ফল প্রার্থী

১৮

১৮

৩৬

ফাজিল (১ম বর্ষ)

২০

২২

৪২

আলিম (২য় বর্ষ) ফলপ্রার্থী

৩৮

৩৪

৭২

আলিম (২য় বর্ষ)

২৩

২৭

৫০

আলিম (১ম বর্ষ)

১৬

৩৪

৫০

দাখিল ১০ম

৩৬

৪৬

৮২

দাখিল ৯ম

৪০

৪৮

৮৮

দাখিল ৮ম

২৬

৫৩

৭৯

দাখিল ৭ম

৪০

৫২

৯২

দাখিল ৬ষ্ঠ

৫৫

৫৭

১১২

ইবতেদায়ী ৫ম

১৩

০৯

২২

ইবতেদায়ী ৪র্থ

২০

১১

৩১

ইবতেদায়ী ৩য়

১৬

০৩

১৯

ইবতেদায়ী ২য়

০৯

১৪

২৩

ইবতেদায়ী ১ম

০৩

০৫

০৮

সর্বমোট =

৪০১

৪৫৬

৮৫৭

১। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), মৌলভীবাজার, সভাপতি।

২। হাজী মঈন উদ্দিন, সহ-সভাপতি।

৩। মোঃ নাসির উদ্দিন (মিঠু), দাতা সদস্য।

৪। মোঃ মতিউর রহমান, অভিভাবক সদস্য।

৫। মাওঃ মোঃ আব্দুল মতিন, অভিভাবক সদস্য।

৬। মাওঃ মোঃ আব্দুছ ছালাম, শিক্ষক প্রতিনিধি।

৭। মাওঃ মোঃ ইউসুফ আলী, শিক্ষক প্রতিনিধি।

৮। মোঃ লুৎফুর রহমান, শিক্ষক প্রতিনিধি।

৯।  উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা,জুড়ী, বিদ্যোৎসাহী সদস্য।

১০। জ্যেষ্ঠতম সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, মৌলভীবাজার সরকারী কলেজ।

১১। মোঃ জহির উদ্দিন, বিদ্যোৎসাহী সদস্য।

১২। ডাঃ শামছ উদ্দিন আহমদ, মেডিক্যাল সদস্য।

১৩। মোঃ ফয়জুল ইসলাম, অভিভাবক সদস্য।

১৪। হাজী মঈন উদ্দিন, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

১৫। অধ্যক্ষ,অত্র মাদ্রাসা, সদস্য সচিব।

শ্রেণীর নাম

সাল

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

পাশ

পাশের হার

ফাজিল

২০০৭

২২

০৬

২৮

১২

৪২%

২০০৮

১৯

১০

২৯

২৭

৯৩%

২০০৯

১২

০৫

১৭

০৬

৩৫%

২০১০

২০

০৬

২৬

২৫

৯৬%

২০১১

১৪

১৬

৩০

৩০

১০০%

 

শ্রেণীর নাম

সাল

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

পাশ

পাশের হার

আলিম

২০০৮

২১

৩৫

৫৬

৪৯

৮৭%

২০০৯

২৬

১৬

৪২

৩৫

৮৩%

২০১০

৩৮

৩৮

৭৬

৬১

৮০%

২০১১

২০

২২

৪২

৩৫

৮৩%

২০১২

২৩

২১

৪৪

৪০

৯০%

 

শ্রেণীর নাম

সাল

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

পাশ

পাশের হার

দাখিল

২০০৯

৩৭

৪১

৭৮

৪১

৫২%

২০১০

৪৮

২৭

৭৫

৪৯

৬৫%

২০১১

৪০

৪৬

৮৬

৭২

৮৩%

২০১২

৩৬

৪৬

৮২

৭২

৮৭%

২০১৩

২১

৫১

৭২

৬১

৮৪%

 


 


শ্রেণীর নাম

সাল

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

পাশ

পাশের হার

অষ্টম (জেডিসি)

২০১০

৩২

৫৬

৮৮

৫২

৫৯%

২০১১

৫২

৬১

১১৩

৯২

৮১%

২০১২

৪৭

৫৯

১০৬

৯৬

৮৯%

 

শ্রেণীর নাম

সাল

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

পাশ

পাশের হার

৫ম শ্রেণি সমাপনী পরীক্ষা

২০১০

২০

৩৫

৫৫

২৬

৪৭%

২০১১

২৫

৩০

৫৫

৩৮

৬৯%

২০১২

২৭

২০

৪৭

৪৭

১০০%

 প্রতিষ্ঠানটি মৌলভীবাজার জেলাধীন জুড়ী উপজেলা সদর হতে প্রায় ৪কি.মি. দক্ষিণ-পূর্ব দিকে লাঠিটিলা সওজ সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে নওয়াবাজার নামক বাজারের প্রাণকেন্দ্র অবস্থিত।

০১.০১.১৯৫৮ইং সনে নওয়া বাজার এলাকার দ্বহপাড়া নিবাসী স্বানামধন্য আলিমেদ্বীন মরহুম মাওলানা আইয়ুব আলী সাহেবের অনুপ্রেরণায় অত্র এলাকার স্বনামধন্য আলেম সমাজ, সমাজসেবী ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতায় এ সমাজ থেকে অশিক্ষার কুসংস্কার দুর করার লক্ষে এলাকায় শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে পৌছানোর জন্য তৎকালীন বড়লেখা থানার পূর্ব জুড়ী ইউ/পি এর অমত্মর্গত নওয়া বাজারে ক্ষুদ্র পরিসরে একটি মাদ্রাসার ভিত্তি স্থাপিত হয়।

এ দ্বীনি প্রতিষ্ঠানই বর্তমানে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলাধীন ৮নং গোয়ালবাড়ী ইউ/পি এর অমত্মর্গত ঐতিহ্যবাহী নওয়া বাজার আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা নামে বাংলাদেশে তথা বহিঃবিশ্বে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৬৯ইং সনে অত্র নওয়া বাজার আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসাটি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল সত্মরে স্বীকৃতি লাভ করে ও ১৯৭৪ইং সনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক আলিম সত্মরে স্বীকৃতি লাভ করে এবং ১৯৭৬ইং সনে ফাজিল সত্মরে স্বীকৃতি লাভ করে। পর্যায়ক্রমে ফাজিল শ্রেণিকে বি.এ. এর মান দেওয়ায় ২০০৮ইং সন হতে ফাজিল শ্রেণি (বি.এ) কে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া এর অধীনে ন্যসত্ম করা হয়। অদ্যাবধি নওয়া বাজার আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসাটি ১ম শ্রেণি থেকে আলিম শ্রেণি পর্যমত্ম বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধিনে পরিচালিত হয়ে আসছে এবং ফাজিল শ্রেণি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার অধিনে পরিচালিত হয়ে আসছে। অত্র নওয়া বাজার আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অসংখ্য ছাত্র/ছাত্রী উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও বিদেশে বিভিন্ন সম্মানিত পেশায় নিয়োজিত হয়ে দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। বলা বাহুল্য যে ১৯৯৬ইং সনে অত্র নওয়া বাজার আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসাটি সিলেট বিভাগের বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা নির্বাচিত হওয়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকে পুরস্কৃত করেন।

০১/০১/১৯৫৮ইং ৯৬%   মাদ্রাসা
দেখুন
জায়ফরনগর উচ্চ বিদ্যায়ল

      এসএসসি -    ২০১০ সালে ৮টি  A+ , ২০১১ সালে ২ টি A+, ২০১২ সালে ৫টি A+,২০১৩ সালে ৪টি A+

      জেএসসি -    ২০১২ সালে টেলেন্টপুল বৃত্তি ২টি , সাধারণ বৃত্তি ২ টি ।

উক্ত স্কুলকে একটি কলেজে রুপান্তর করা আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে।

                                  ৬ষ্ঠ শ্রেণী কোহিনুর বেগম

                                  ৭ম শ্রেণী জান্নাত হাছান তমা

                                  ৭মশ্রেণী হালিমা আক্তার মিতা

                                  ৮মশ্রেণী জাসমিন বেগম

                                   ৮ম শ্রেণী গীতা রানী দাস

                                   ৮ম শ্রেণী হুমায়ুন রশীদ হিমু

                                   ৯ম শ্রেণী আসমা বেগম

                                   ৯ম শ্রেণী সায়মন আহমদ

                                   ৯ম শ্রেণী বৃষ্টি রানী দাস

                                   ১০ম শ্রেণী মনির  উদ্দিন

                                   ১০মশ্রেণী মরিয়ম বেগম

                                   ১০ম শ্রেণী সোহেনা বেগম

                             

জায়ফরনগর উচ্চ বিদ্যালয়টি ১/১/১৯৭৩ ইং সনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে অদ্যাবদি শিক্ষা কার্যক্রম  সয়লতার সহিত পরিচালিত হচ্ছে । অত্র এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি বর্গ  জনাব মৃত মোঃনজাবত আলী ,২.মৃত মাওঃ মোঃ সুয়াইব আলী, ৩. মৃত হাজী মোঃ আব্দুল খালিক চৌধুরী । অত্র বিদ্যালষ্ঠায় প্রতিষ্ঠার জন্য ১.৪০ একর ভূমি দান করেন এবং আজীবন সদস্য । ১।মৃত মোঃ আজমল আলী ২।মর্তুজ আলী ৩।সফর আলী ৪।মোঃ খোশাদ আলী ৫।আনজব আলী ৬।আং খালিক সহ  এলাকার গুণী ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ সহ সর্ব স্তরের মানুষের সহায়তায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টিত হয়।জানা যায় ৩৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা র্কাযক্রম শুরু করে প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি লাভ করে বর্তমানে ৭৩৬ জন শিক্ষার্থী পাঠদান করিতেছে।বিদ্যালয়টি জুড়ী উপজেলার সদর ইউনিয়ন এবং মৌলভীবাজার, কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।বর্তমানে বিদ্যালয়ে ০৯ জন এম.পি.ওভুক্ত এবং  ০৩জন প্রক্রিয়াধীন।০৯ জনস্থায়ী ১৩ জন খন্ডকালীন শিক্ষক সহ মোট ১৫জন শিক্ষক, শিক্ষকা এবং ১জন অফিস সহকারী এবং ২জন ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী রয়েছেন।বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান,মানবিক এবং ব্যবসায় শিক্ষা চালু রয়েছে। বিদ্যালয়ে ২টি পাকা ভবন রয়েছে, ২টি আধা পাকা ভবন আছে। শ্রেণীকক্ষ ছাড়া ও বিদ্যালয়ে মানসম্মত ১টি বিজ্ঞানাগার, ১টি লাইব্রেরী, ১টি ডিজিটাল ক্লাস রুম চালু রয়েছে।           

শ্রেণী

 

ছাত্র

 

ছাত্রী

 

মোট

 

 

 

৬ষ্ঠ ক

২৮

৬২

৯০

১৯১জন

 

৬ষ্ঠ খ

৫৯

৪২

১০১

৭ম ক

৫০

৪৮

৯৮

১৮৯জন

৭ম খ

৩১

৬০

৯১

৮ম ক

২৭

৪৩

৭০

১৩৫জন

৮ম খ

৩৮

২৭

৬৫

৯ম ক

৫৫

৭৪

১২৯

১২৯জন

১০ম

৩৭

৫০

৮৭

৮৭জন

১. জনাব মোঃ বদরুল ইসলাম                     সভাপতি

২. জনাব মোঃ মর্তুজা আলী                      দাতা সদস্য

৩. জনাব মোঃ ফজলুল কাদির সুরুজ      অভিবাবক  সদস্য

৪. জনাব মাসুক আহমদ                    অভিবাবক   সদস্য

৫. জনাব মোঃ ইব্রাহিম আলী                অভিবাবক সদস্য

৬. জনাব রাম কুমার কৈরী                অভিবাবক  সদস্য

৭.  জনাব আম্বিয়া বেগম              অভিবাবক সদস্য (সংরক্ষিত)

৮. জনাব মোঃ আব্দুল আজিজ              কো-প্ট সদস্য

৯. জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম        শিক্ষক প্রতিনিধি  সদস্য

১০. জনাব ফয়েজ আহমদ           শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য

১১.জনাব রীনা বিশ্বাস         শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য (সংরক্ষিত)

১২.জনাব রতীশ চন্দ্র দাস         প্রধান শিক্ষক /সম্পাদক

সাল

পরীক্ষার্থী

উত্তীর্ণ

পাশের হার

পরীক্ষার্থী

উত্তীর্ণ

পাশের হার

২০০৯

 

 

 

৩৫

৩৩

৯৪.২৯%

২০১০

৯৮

৫৯

৬০.২০%

৪১

৪১

১০০%

২০১১

১১৮

১১৭

৯৯.১৫%

৫১

৪৯

৯৬.০৭%

২০১২

১২৯

১২৮

৯৯.২২%

৭১

৭০

৯৮.৫৯%

২০১৩

-

 

 

৭৬

৭৬

১০০%

জুড়ী উপজেলা সদর থেকে ২.৫০  কিলোমিটার দক্ষিণ দিকে অবস্থিত । পায়ে হেটে , রিক্সা বা গাড়ীতে  করে আসা যায়।

 প্রতিষ্ঠানটি মৌলভীবাজার জেলাধীন জুড়ী উপজেলা ৫নং সদর জায়ফরনগর ইউনিয়নের অন্তর্গত ০৩নং ওয়ার্ডে অবস্থিত । বিদ্যালয়টি বৃহত্তর হাকালুকি হাওরের পূর্ব পাশে অবস্থিত । জুড়ী মৌলভীবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের পূর্ব পাশে এবং কুলাউড়া শাহবাজপুর রেলওয়ে সড়কের পশ্চিম পাশে মনোরম পরিবেশে ১.৪০ শতাংশ নিজস্ব জমির উপর অবস্থিত । বিদ্যালয়টিতে দুইটি পাকা ভবন ও দুইটি আধা পাকা ভবন রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক এর কার্য্যালয় ০১টি, অফিস কক্ষ ০১টি, শিক্ষক মিলনায়তন ০১টি, বিজ্ঞানাগার ০১টি লাইব্রেরী ০১টি , শ্রেণী কক্ষ১১টি , ছাত্র ছাত্রীদের আলাদা আলাদা টয়লেট ও ০২টি টিউবউয়েল আছে এবং বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ আছে । প্রতিষ্টানের EIIN নম্বর ১২৯৬৩৯, এম পি ও কোড ১৩০৩১২১৩০১। 

০১/০১/১৯৭৩ইং ৯৮.০৭%   মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
হাজী আপ্তাব উদ্দিন আমিনা খাতুন কলেজ

অর্জন

ভাবিষ্যৎ পরিকল্পনা

মেধাবী ছাত্র/ ছাত্রী

শিক্ষা বৃত্ত তথ্য্

 প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসঃ-

মরহুম আলহাজ্ব আপ্তাব উদ্দিন আহমদ তাঁর নিজ নামে ২০১২ খ্রিঃ মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায় গোয়ালবাড়ী ও বড়ধামাই মৌজায় ‘‘হাজী আপ্তাব উদ্দিন আমিনা খাতুন কলেজটি’’ প্রতিষ্ঠিত করেন। প্রতিষ্ঠানটি জুড়ী-লাঠিটিলা সড়কের পার্শ্বে একটি মনোরম টিলায় অবস্থিত। এটি জুড়ী উপজেলা সদর থেকে ০৮ কিঃমিঃ দঃ-পূর্ব দিকে অবস্থিত। কলেজ ক্যাচমেন্ট এলাকাটি নয়নাভিরাম বন্ধুর ঘন শ্যামলে ঘেরা যা যেকোন সময়ের শিল্পীর তুলিতে আঁকা মনোহারি ছবির চাইতেও প্রকৃতি প্রেমিক মানুষের কাছে অনেক বেশী আকর্ষনীয় বৈ কি।

কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যঃ-

ï মৌলভীবাজার তথা বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে উচ্চ শিক্ষার প্রসার ও শিক্ষার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখা ।

ï মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সুপ্ত মেধাকে বিকাশিত করা।

ï দরিদ্র মেধাবী  শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে অধ্যায়নের সুযোগ করা।

ï দেশে সুশাসনের জন্য দেশ প্রেমিক ও নৈতিক গুণাবলী  সম্পন্ন সুনাগরিক তৈরী করা ।

ï প্রতিষ্ঠানটিকে ক্রমান্বয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ পর্যমত্ম এগিয়ে নেওয়া এবং নিকট ভবিষ্যতে একটি শ্রেষ্ট বিদ্যাপিঠ হিসাবে পরিনত করা ।

কলেজের বৈশিষ্ট্যঃ-

ï একদল উদ্যোমী তরম্নন শিক্ষ -শিক্ষিকা তাদের মেধা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা, আন্তরিকতা পরিশ্রম, জ্ঞান-বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির আধুনিকতা, সৃজনশীলতা, তথা শৈল্পিক মানসিকতা ও সময় উপযোগী শ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকে কাজে লাগিয়ে এই কলেজকে একটি আধুনিক মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তুলতে সার্বক্ষণিক টিম ওয়ার্ক করেন।

ïপ্রশিক্ষিত মেধাবী অভিজ্ঞ, সর্বোপরী দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতা সম্পন্ন শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা পাঠদান করা হয়। ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাইভেট টিউটরের নিকট পড়ার প্রয়োজন হয়  না।

ïছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করার  লক্ষ্যে প্রত্যেক টার্ম পরীক্ষার ফলাফলের পর ভাল ফলাফল অর্জনকারীদের বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়।

ïপ্রিন্সিপাল স্যার ক্লাসে গিয়ে সরাসরি ছাত্র-ছাত্রীদের কোন সমস্যা বা চাহিদা সম্পর্কে অবহিত হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

ïশিক্ষক শিক্ষিকাদের দক্ষতা, পারদর্শিতা ও দায়িত্ব সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

ïপড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের মনোবিকাশে বিনোদন ও খেলাধুলার ব্যবস্থা করা হয়।

ïশিক্ষকেরা পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করে পরিকল্পিত ক্লাস নিয়ে থাকেন এবং ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সংশিস্নষ্ট বিষয়ে বেসিক জ্ঞান দিতে সচেষ্ট হন যাতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করার পর মেডিকেল/ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে বেগ পেতে না হয়।

ïক্লাসে বুঝতে পারেনি এরূপ প্রতিটি বিষয় ক্লাস রুমে বা টেবিল টকের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হয়।  

ïমাসে কমপক্ষে একটি সেমিনার বা কর্মশালার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পড়াশুনায় মনোযোগী তথা জীবন সম্পর্কে সচেতন করা হয়।

ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি:

ïপ্রতি বছর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহের মাধ্যমে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়। যা ছাত্র ছাত্রীদের সুকুমার প্রবৃত্তি বৃদ্ধি করে।

ïএকাডেমিক ভবন চত্তরে, পেস্ন গ্রাউন্ডে ব্যাড মিন্টন, ফুটবল, বলিবল, ক্রিকেট খেলার সুবিধা রয়েছে।

 

 

 সামাজিক কর্মসূচি:

ïবাল্যবিবাহ,যৌতুক, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন, শিশু শ্রম, ধুমপান প্রভুতি সামাজিক সমস্যার কুফল ও প্রতিরোধ কল্পে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারী কর্মকর্তা ও মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে উন্মুক্ত সেমিনারের আয়োজন করা হয়ে থাকে। 

ïপ্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও রক্ত গ্রুপিং কর্মসূচি, হেপাটাইটিসবি  ভাইরাস পরীক্ষা এবং টি.টি সেবা কর্মসূচির ব্যবস্থা রয়েছে।

                                             ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণি ভিত্তিক-২০১৩)

পর্যায়

শ্রেণি

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

মমত্মব্য

 

একাদশ

মানবিক

৪৫

৭১

১১৬

 

বিজ্ঞান

০০

০৯

০৯

 

ব্যবসায় শিঃ

১৫

১৭

৩২

 

 

দ্বাদশ

মানবিক

৫২

৯৭

১৪৯

 

বিজ্ঞান

০১

০৪

০৫

 

ব্যবসায় শিঃ

২৫

০৮

৩৩

 

সর্বমোট

১৩৭

২০৭

৩৪৪

 

ফলাফল

যোগাযোগ

                                                 প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ-

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায় প্রত্যমত্ম ও পাহাড়ি এলাকায় অত্যমত্ম মনোরম পরিবেশে এলাকার শিক্ষা বিস্তার বিশেষ করে নারী  প্রসারে শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে হাজী আপ্তাব উদ্দিন আহমদ ও তার পরিবারের একক অর্থায়নে প্রতিষ্ঠত হয় হাজী আপ্তাব উদ্দিন আমিনা খাতুন কলেজ।  প্রতিষ্ঠানটিতে ০১টি আধাপাকা ভবন ও চার তলা বিশিষ্ট ০১টি ভবন নির্মানাধীন রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে শ্রেণিকক্ষ ০৮টি, বিজ্ঞানাগার ০১টি, অফিস কক্ষ ০১টি, ছাত্রী মিলনায়তন ০১টি, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আলাদাভাবে ০২টি ও শিক্ষকদের জন্য ০২টি টয়লেট, ০১টি টিউবওয়েল এবং কলেজ সম্মুখে ০১টি খেলার মাঠ আছে। সিলেট শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত কলেজ কোড নং ২৩৮১, EIINনং- ১৩৫৩১৯,

২০/০১/২০১২ইং ১০০%   কলেজ
দেখুন
শাহ্ নিমাত্রা সাগরনাল ফুলতলা মহাবিদ্যালয়

ভবিষ্যতে অত্র কলেজকে স্নাতক ও অনার্স কলেজে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

 মেধাবী ছাত্র ছাত্রীবৃন্দঃ-

এই কলেজের অনেক ছাত্র-ছাত্রী বর্তমানে শাহ্ জালাল বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত আছেন।

                                                         প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসঃ

কলেজটি উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৮ কিঃমিঃ দূরে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রতিষ্ঠিত। শিক্ষা-দীক্ষা ও আর্থ-সামাজিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া এ জনপদে কলেজ প্রতিষ্ঠা করা অনেকটা দুঃস্বপ্নের মতোই ছিল। কেউ তেমন আস্থা রাখতে পারেননি যে এখানে একটি কলেজ হবে। তারপরও কুলাউড়া উপজেলার সাবেক এমপি মরহুম এম.এন ইউসুফ মোক্তার সাহেব অনেকের সহযোগীতা নিয়ে উদ্ধোগ গ্রহণ করেন। এবং ২০০৩ইং সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠার কাজ কেবল মানবিক বিভাগে মাত্র ০৯ জন শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু করেন এবং তিনিই প্রথম অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। জনাব মাসুক আহমদ কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা হন। ২০০৫ সালে মাত্র ০৫ জন পরীক্ষার্থী এইচ.এস.সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন। কলেজটি প্রথমে একটি সাটারিং ডোরের দোকান ঘরে শুরু হয়। তারপর নিজস্ব ভূমিতে সামান্য চালাঘর এবং বর্তমানে ০৯টি টিনসেড কক্ষ নিয়ে চলছে। কলেজটি প্রথম থেকেই ভাল ফলাফলের মাধ্যমে সকলের আস্থা অর্জন করতে শুরু করে এবং ধারাবাহিক কৃতিত্ব রেখেই যাচ্ছে। ২০০৯ইং সালে বোর্ডে ৪র্থ স্থান লাভ করে। গত বছর ৮টি এ+ সহ শতভাগ ফলাফল করে এবং এ বছর ২০১৩ইং সালে ১১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ০১ জন ফেল করে এবং ০৫ টি এ+ সহ জেলার সর্বোচ্য পাশের হার অর্থাৎ ৯৯.০৯% ফলাফল করে। এ বছর মানবিক বিভাগে জেলায় যে দুইটি গোল্ডেন এ+ আসে তাও এই কলেজে। এভাবে কোন প্রকার প্রাইভেট পড়াশুনা ছাড়াই প্রতিশ্রুতিশীল ফলাফল করে যাচ্ছে। এখানে এসএসসি লেভেল থেকে আমরা এ+ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী পাই না। বর্তমানে ২ বর্ষে ৪১৩ জন শিক্ষার্থী আছেন। অথচ এদের মধ্যে কোন এ+ নেই। তার পরও আমরা ‘এ’ ও ‘এ+’ সহ প্রগ্রেসিভ ফলাফল দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 প্রতিষ্ঠানটির EIINনম্বর ১২৯৬৮০ । এমপিও কোড- ১৩০৭০১৩১০২

                                      ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা শ্রেণি ভিত্তিক (২০১৩)

শ্রেণি

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

সর্বমোট

একাদশ

মানবিক

৭৭

১১৬

১৯৩

২৪১ জন

ব্যবসায় শিক্ষা

২০

২৮

৪৮

দ্বাদশ

মানবিক

৪৭

৮৩

১৩০

১৭২ জন

ব্যবসায় শিক্ষা

২৮

১৪

৪২

সর্বমোট

 

১৭২

২৪১

৪১৩

৪১৩ জন

                            বর্তমান গভর্নিং বডির বর্ণনাঃ ১১ জন সদস্য বিশিষ্ট গভর্নিং বডি বিদ্যমান।

           কমিটির মেয়াদ  ২০/০৫/২০১২ইং তারিখ হইতে ০৬/০৬/২০১৪ইং তারিখ পর্যন্ত। গভর্নিং বডি নিম্নরূপঃ

 

নং

নাম ও পরিচিতি

পদবী

মন্তব্য

০১

জনাব মোঃ শাহাব উদ্দিন

মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য

মৌলভীবাজার-১, (জুড়ী-বড়লেখা)

সভাপতি

 

০২

জনাব মোঃ জহির উদ্দিন

অধ্যক্ষ

সদস্য সচিব

 

০৩

জনাব মোঃ মাসুক আহমদ

 

প্রতিষ্ঠাতা সদস্য

 

০৪

জনাব মোঃ হোসেন আহমদ চৌধুরী

 

শিক্ষক প্রতিনিধি

 

০৫

জনাব ছইফ উদ্দিন আহমদ

 

শিক্ষক প্রতিনিধি

 

০৬

জনাব আব্দুল মতিন

 

অভিভাবক সদস্য

 

০৭

জনাব হাজী তোতা মিয়া

 

অভিভাবক সদস্য

 

০৮

জনাব মোঃ ফয়াজ আলী

 

অভিভাবক সদস্য

 

০৯

জনাব মোঃ রুস্তম আলী

 

অভিভাবক সদস্য

 

১০

জনাব মোঃ আকবর আলী

 

দাতা সদস্য

 

১১

জনাব মকদ্দছ আলী মায়া

 

বিদ্যুৎসাহী সদস্য

 

                                     বিগত ৫ (পাঁচ) বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলঃ

সাল

এইচএসসি

মন্তব্য

পরীক্ষার্থী

উত্তীর্ণ

পাশের হার

২০০৯

৪০

৩৯

৯৭.০৫%

এ+ ০৩টি, মৌলভীবাজার জেলায় ১ম,

শিক্ষা বোর্ডে ৪র্থ স্থান।

২০১০

৩৩

২৮

৮৫%

 

২০১১

৬৭

৬৪

৯৬%

এ+ ০৩টি

২০১২

৭৭

৭৭

১০০%

এ+ ০৮টি

২০১৩

১১০

১০৯

৯৯.০৯%

এ+ ০৫টি

জুড়ী উপজেলা সদর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে দক্ষিন-পূর্ব দিকে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত।

                                                             প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ-

যদিও কলেজটি ২০০৩ সালে স্থাপিত হয় তথাপিও অত্র অঞ্চলের মানুষ তখনও তেমন কোন আস্থা রাখতে পারেননি। কলেজটি পর্যায়ক্রমে ভাল ফলাফল করতে থাকলে ক্রমশঃ মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করতে শুরু করে।  ২০১০ইং সালে জুড়ী-বড়লেখা আসনের মাননীয় সাংসদ মোঃ শাহাব উদ্দিন সাহেবকে এলাকাবাসী সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করেন এবং ২০১০ইং সালেই তিনি কলেজটিকে এমপিও ভূক্ত করান। এখন ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগও আছে। মরহুম এমএন ইউসুফ সাহেবের পরে হোসেন আহমদ চৌধুরী শামীম সাহেব ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন এবং বর্তমানে ১৯/০৬/২০১১ইং তারিখ থেকে আমি মোঃ জহির উদ্দিন অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছি। প্রতিষ্ঠাতা মাসুক আহমেদ সাহেব, এলাকার সুধীজন, পরিচালনা কমিটি, শিক্ষকবৃন্দ, জেলা ও উপজেলা পরিষদ এবং মাননীয় সাংসদ মোঃ শাহাব উদ্দিন সাহেবসহ সকলের একান্ত আন্তরিকতায় কলেজটি এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় দেড়কোটি টাকার ০১টি একাডেমীক ভবনের ওয়ার্ক অর্ডার করিয়েছেন এমপি মহোদয়। কাজেই আমাদের লক্ষ আলোকিত ও বিকশিত মানব উন্নয়নে এ কলেজটি একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসাবে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

২০০৩ইং। ৯৯.০৯%   কলেজ
দেখুন
পাতিলা সাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয়

২০১২ সালের জেএসসি পরীক্ষায় ১টি ট্যালেন্টপুল বৃত্তি লাভ করে।

মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে এমপিও ভূক্ত করা।

 প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ-

প্রতিষ্ঠানটি মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার অন্তর্গত ০৬নং সাগরনাল ইউনিয়নে ০২নং ওয়ার্ড পাতিলাসাঙ্গঁন গ্রামে ০১/০১/১৯৯৫ইং সালে এলাকার সর্বসাধারনের সার্বিক সহযোগীতায় গ্রামীন এলাকার তরুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার বৃহত্তর স্বার্থে বাঁশ ও টিনের ছাওনী দিয়ে কাচাঘর তুলে ১৫০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে নিয়ে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস যথারীতি আরম্ভ করা হয়। বিদ্যালয়টি প্রাথমিক অনুমতি লাভ করে ০১/০১/১৯৯৭ইং এবং একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে ০১/০১/১৯৯৮ইং সালে। বিদ্যালয়টি জুনিয়র হিসাবে এমপিও ভূক্ত হয় ০১/০৫/২০০০ইং সালে।

                                                          ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা শ্রেণি ভিত্তিক (২০১৩)

শ্রেণি

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ষষ্ট

৬৫

৬০

১২৫

সপ্তম

৪৫

৪৯

৯৪

অষ্টম

২৮

৫০

৭৮

নবম

৩৫

৪৯

৮৪

দশম

২৫

৪৫

৭০

সর্বমোট

১৯৮

২৫৩

৪৫১

                                      বর্তমান পরিচালনা কমিটির বর্ণনাঃ ১১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা কমিটি।

                        কমিটির মেয়াদ ১১/০৭/২০১২       ইং তারিখ হইতে ১০/০৭/২০১৪ইং তারিখ পর্যন্ত। কমিটি নিম্নরূপঃ

ক্রমিক নং

নাম

পদবী

মন্তব্য

০১

জনাব মোঃ ফখর উদ্দিন

সভাপতি

 

০২

জনাব মোঃ ইমাম উদ্দিন

সাধাঃ শিক্ষক সদস্য

 

০৩

জনাব মোঃ আব্দুর রশীদ

সাধাঃ শিক্ষক সদস্য

 

০৪

জনাব অমপ্রকাশ বার্মা

সাধাঃ অভিভাবক সদস্য

 

০৫

জনাব বিজেন কান্তি চাষা

সাধাঃ অভিভাবক সদস্য

 

০৬

জনাব বাবুল কান্তি দাস

সাধাঃ অভিভাবক সদস্য

 

০৭

জনাব বিদ্যাভূষণ চাষা

সাধাঃ অভিভাবক সদস্য

 

০৮

জনাবা নাছিমা আক্তার

সংরক্ষিত মহিলা সদস্য

 

০৯

জনাব মোঃ আব্দুল মতিন পসাই

দাতা সদস্য

 

১০

জনাব মোঃ আব্দুল কাদির

শিক্ষানুরাগী সদস্য

 

১১

জনাব মোঃ তাজুর রহমান (প্রঃশিঃ)

সদস্য সচিব

পদাধিকার বলে

                                                          বিগত ৫ (পাঁচ) বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলঃ

সাল

জেএসসি

এসএসসি

মন্তব্য

পরীক্ষার্থী

উত্তীর্ণ

পাশের হার

পরীক্ষার্থী

উত্তীর্ণ

পাশের হার

২০০৯

--

-

-

১২

৬৬.৬৬%

 

২০১০

৬৬

৫১

৭৭.২৭%

১৮

১৬

৮৮.৮৮%

 

২০১১

৭৪

৭৩

৯৯.০০%

২৩

১৮

৭৮.২৬%

 

২০১২

৭৯

৭৯

১০০%

৩১

৩১

১০০%

 

২০১৩

-

-

-

৪৯

৪৯

১০০%

 

জুড়ী উপজেলা সদর থেকে ০৭ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ দিকে পাতিলাসাঙ্গন গ্রামে  বিদ্যালয়টি অবস্থিত।

 প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ-

বিদ্যালয়টিজুড়ী উপজেলার অন্তর্গত ০৬নং সাগরনাল ইউনিয়নের পাতিলাসাঙ্গঁন গ্রামে জুড়ী-লাঠিটিলা সড়কের উত্তর-পূর্ব পাশে মনোরম পরিবেশে ১.৩৫ একর অখন্ড এবং নিজস্ব জমির উপর অবস্থিত। বিদ্যালয়টিতে ০১টি দ্বিতল ভবন, ০২টি পাকা গৃহ, ০১টি আধাপাকা টিনসেড গৃহ ও ১টি মসজিদ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে শ্রেণিকক্ষ ০৮টি, বিজ্ঞানাগার ০১টি, অফিস কক্ষ ০২টি, ছাত্রদের জন্য ০২টি, ছাত্রীদের জন্য ০২টি ও শিক্ষকদের জন্য ০১টি টয়লেট, ০২টি টিউবওয়েল এবং বিদ্যালয় সম্মুখে ০১টি খেলার মাঠ আছে।

প্রতিষ্ঠানটির EIINনম্বর ১২৯৬৪৯ । এমপিও কোড- ১৩০৩২২১২০২, বিদ্যালয় কোড- ২৪২২।

০১/০১/১৯৯৫ইং ১০০%   মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
চৌধুরী বাড়ি রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়

বিদ্যালিয় এলাকাটি শিক্ষায় অনগ্রশর থাকার কারনে স্থানীয় সচেতন মহল বিশেষতঃ এলাকার শিক্ষার উন্নয়নের জন্য এলাকার সাবেক ইউ/পি চেয়ারম্যান মরহুম জনাব আলহ্বাজ মোঃ গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী সাহেবের মহান উদ্দোগে বিদ্যালয়ের নামে ৩০ শতাংস ভূমি দান করতঃ স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অত্র বিদ্যালয়টি ১৯৭৩ ইং সনে প্রতিষ্টিত হয়ে ১৯৭৮ সনে স্থায়ী রেজিষ্টেশন  প্রাপ্ত হয়। যাহার নং ৪৮৭৬/৩-জি তারিখ ১৪-১০-১৯৭৮ইং রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত হওয়ার পর বিদ্যালয়টি সরকারী করন না হওয়ার কারনে সাময়িক ভাবে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, পুনরায় এলাকার ভবিষত্য প্রজন্মের কথা চিন্তা করে উল্লখিত ব্যক্তি স্থানীয় সচেতন মহলের সমন্বয়ে ১লা জানুয়ারী ১৯৮৪ইং হইতে সরকারের নীতিমালা অনুয়ায়ী বিদ্যালয়টি পুনরুদ্ধমে অধ্যবদি এলাকায় শিক্ষার আলো প্রজ্বলিত করে আসতেছে। বলাবাহুল্য ১৯৯১ ইং সনের ১লা জুলাই হইতে শিক্ষকগন সরকারী অনুদান পেয়ে আসতেছে।

সভাপতিঃ জনাব তজমুল আলী ।

সহ সভাপতিঃ জনাব নূরুল ইসলাম চৌধুরী।

দাতাঃ জনাব এমদাদুল ইসলাম চৌধুরী।

গ্রামঃ উত্তর সাগরনাল, ডাকঃ সাগরনাল, উপজেলাঃ জুড়ী, জেলাঃ মৌলভীবাজার। বিদ্যালয়টি বংলাদেশ ভূখন্ডের ভারত সীমান্তবর্তী একটি প্রত্যুন্ত অঞ্চলে জুড়ী নদী তীরবর্তী এলাকায় অবস্তিত। বিদ্যালয়টি চার কক্ষ বিষিষ্ট একতলা একটি পাকা ভবন। বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে একটি ইউপি রাস্তা উপজেলা সদর রাস্তায় মিলিত হয়েছে।

১৯৭৩ ইংরেজী। ১০০%   প্রাথমিক বিদ্যালয়
দেখুন
১০ বড়ডহর হাজী আব্দুল মান্নান রেজিঃ প্রাঃ বিদ্যালয়।

 ১৯৯৬ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টিত হওয়ায় এলাকাবাসী শিশুদের লেখাপড়ার মান বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ঝরে পড়ার হার কমছে।

 ১ম শ্রেণীঃ ৩৮ জন।

২য় শ্রেণীঃ ৩২ জন।

৩য় শ্রেণীঃ ৩৫ জন।

৪র্থ শ্রেণীঃ ৩৪ জন।

৫ম শ্রেণীঃ ১৯ জন।

 

মোটঃ ১৫৮ জন।

 সভাপতিঃ আং কাদির।

সহ সভাপতিঃ আং সহিদ।

দাতা সদস্যঃ মিনারা বেগম।

সদস্যঃ আং খালিক।

সদস্যঃ নিলুফার ইয়াসমিন।

সদস্যঃ আং কাদির।

সদস্যঃ লুৎফা বেগম।

সদস্যঃ সুকুমার শীল।

সদস্যঃ মফিস খান।

সদস্যঃ রফিকুন নাহার।

সদস্যঃ তৈমুছ খান।

সদস্যঃ আলকুমা বেগম।

 বড়ডহর হাজী আব্দুল মান্নান রেজিঃ প্রাঃ বিদ্যালয়।

গ্রামঃ উত্তর বড়ডহর।

ডাকঃ সাগরনাল।

উপজেলাঃ জুড়ী।

জেলাঃ মৌলভীবাজার।

 মৌলভীবাজার জেলাধীন জুড়ী উপজেলার ৬নং সাগরনাল ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের দক্ষিন বড়ডহর গ্রামে অবস্থিত।বিদ্যালয়ের ভূমিদাতা হাজী আব্দুল মান্নান, বর্তমানে একিটি আধাপাকা ভবন আছে।

১৯৯৬ইং ৯৭%   প্রাথমিক বিদ্যালয়
দেখুন
দেখছেন ১ থেকে ১০ পর্যন্ত, মোট ৭৩ এন্ট্রি

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন